স্টকমার্কেটবিডি প্রতিবেদক :
পাইকারিতে আদার বিক্রি ও দামে ধস নেমেছে। কোরবানি ঈদের আগে যে আদা নিয়ে হৈচৈ চলছিল, বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছিল, এখন সেই একই আদার ক্রেতা মিলছে না বাজারে। আর খাতুনগঞ্জের আড়তে পাইকারিতেই ঈদের আগে কেজি ৩০০ টাকায় ছিল আদা; এখন সেটি ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় নেমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, তিন কারণে আদার দামে ধস নেমেছে।
একটি হচ্ছে, কোরবানি ঈদের পরে চাহিদা ব্যাপকভাবে কমেছে, দ্বিতীয়ত আমদানি বেড়েছে, তৃতীয়ত দাম আরো কমবে এই শঙ্কায় বিক্রিও কমেছে।
জানতে চাইলে টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানিকারক জারিফ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর মোরশেদ বলেন, ‘বিপুল আদা এসেছে মিয়ানমার থেকে। আরো আসছে। সেই সঙ্গে গতকাল বুধবার থেকে বেসরকারি এবি ব্যাংক আদা আমদানিতে ড্রাফট সুবিধা বাড়িয়ে সাতটিতে উন্নীত করেছে।
অর্থাৎ এখন ২১ হাজার ডলারের পণ্য আমদানি করা যাচ্ছে। সরকারি সোনালী ব্যাংকও যদি ড্রাফট সুবিধা চালু করত তাহলে আমদানি আরো বাড়ত। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসত। জানা গেছে, খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে গতকাল তিন দেশের আদা বিক্রি হয়েছে।
এর মধ্যে মিয়ানমারের আদা কেজি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, ইন্দোনেশিয়ার আদা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা আর ভিয়েতনামের আদা ১৯০ থেকে ২২০ টাকায়।
অথচ কোরবানি ঈদের আগেও আদার দাম আড়তে ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ব্যবসায়ীদের শঙ্কা ছিল কোরবানি ঈদ ঘিরে দাম আরো চড়া হবে। কিন্তু বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি বেড়ে বাজারে পৌঁছে যাওয়ায় দাম আরো বাড়ার সুযোগ হয়নি। খাতুনগঞ্জের আড়তদার মোহাম্মদ ইদ্রিস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঈদের আগে আদা নিয়ে যে হৈচৈ ছিল এখন তার উল্টো।
স্টমার্কেটবিডি.কম///