বিভিন্ন সময় শেয়ারবাজারে কারসাজিতে বাদলের নাম এসেছে। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ধসের পর গঠিত খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি যাদের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের সুপারিশ করেছিল, তার মধ্যে বাদলের নামও ছিল। তাকে এবার নাশকতার অভিযোগে আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে অপসারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইএফআইসি ব্যাংককে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, “গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় দায়ের করা এক মামলায় দেশে নাশকতা ছড়ানো এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অর্থ সরবরাহের অভিযোগ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (৩)/২৫ (ঘ) ধারায় অপরাধ পুলিশের তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এবং বিদেশে পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।”
বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু, লুৎফর রহমান বাদল তার স্ত্রী সোমা আলম রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে বাজার কারসাজির প্রমাণ পাওয়া যায়।
বাদলকে অপসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের সভায় টানা অনুপস্থিতির পাশাপাশি নাশকতার মামলায় পুলিশের তদন্তে নাম আসার কথাও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাদলকে অপসারণের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের সভায় টানা অনুপস্থিতির পাশাপাশি নাশকতার মামলায় পুলিশের তদন্তে নাম আসার কথাও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিদেশে পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি জানায় পুলিশ।
বাদল শেয়ারবাজারের ব্রোকারেজ হাউস লতিফ সিকিউরিটিজ এবং নিউ ইংল্যান্ড ইকুইটির মালিক।